আগে বিষয় নির্বাচন করুন!
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন পশ্চিমবঙ্গের
চব্বিশ পরগণার অন্তর্গত কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম গ্রাজুয়েট। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিনি পেশা শুরু করেন। বাংলা গদ্যের বিকাশে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যের। ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষদের মধ্যে অন্যতম। বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বলা হয়। তাঁকে 'বাংলার স্কট'ও বলা হয়। বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য আদর্শে তিনিই প্রথম সার্থক উপন্যাস রচনা করেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্য পত্র 'বঙ্গদর্শন' (১৮৭২) এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। ছৱনাম হিসেবে তিনি 'কমলাকান্ত' নামটি বেছে নিয়েছিলেন। ১৮৯৪ সালের মার্চ মাসে তাঁর বহুমুত্র রোগ বেশ বেড়ে যায়। অবশেষে ১৮৯৪ সালের ৮ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়।
কাব্যগ্রন্থ
• ললিতা তথা মানস (১৮৫৬ খ্রি.)। লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
উপন্যাস
Rajmohan's wife (১৮৬৪ খ্রি.)। ইংরেজি ভাষায় রচিত। লেখকের প্রথম উপন্যাস।
দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫ খ্রি.: লেখকের প্রথম বাংলা উপন্যাস। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। প্রধান চরিত্র-আয়েশা, তিলোত্তমা।'দুর্গেশনন্দিনী' অর্থ দুর্গ প্রধানের কন্যা।
কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬ খ্রি) জেমান্টিক বা রোমান্সধর্মী উপন্যাস।, নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে বলে, 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ।' এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ। উপন্যাসটির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সংলাপ-
প্রদীপ নিবিয়া গেল।"
'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?'।
কৃষ্ণকান্তের উইল (১৯৮৭৮ খ্রি.)। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসাবে বিবেচিত। এটি একটি সামাজিক উপন্যাস্ত্র। উপন্যাসের নায়িকা রোহিণী স্বীয় প্রার্থ জীবনের হাহাকারের জন্য আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। প্রধান চরিত্র (গাবিন্দলাল ও রোহিণী।
রজনী একটি সামাজিক উপন্যাস। বাংলা ভাষায় প্রথম মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ।
বিষবৃক্ষ একটি সামাজিক উপন্যাস। চরিত্র কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ, সূর্যমুখী।
রাজসিংহ। ঐতিহাসিক উপন্যাস।
-"কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না' উপন্যাসের সপ্তম খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ। নয়নবহ্নিও বুঝি জ্বলিয়াছিল এর শেষ বাক্য।
মৃগণির উপন্যাসটি ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
ত্রয়ী উপন্যাস :আনন্দমঠ,দেবীচৌধুরানী ও সীতারাম
সীতারাম :তার সর্বশেষ উপন্যাস। এটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
প্রবন্ধ 👇
👉 কমলাকান্তের দপ্তর : ব্যঙ্গত্মক রম্য রচনা
👉সাম্য
👉লোকরহস্য
👉বিডাল
👉বিজ্ঞানরহস্য
👉ধর্মতত্ব
👉বিধিধ প্রবন্ধ
👉কৃষ্ণচরিত্র
কোন মন্তব্য নেই